নিউজ

বিশেষ: চায়ের দোকান থেকে চন্দ্রযানে পাড়ি! দারিদ্রতাকে হারিয়ে নজির গড়লেন ISRO-র 23 বছরের তরুণ

পৃথিবীর মধ্যে প্রথম দেশ হিসাবে ভারত সদ্য চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছেছে। এই ঐতিহাসিক কৃতিত্বের পিছনে যে অচেনা নায়করা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে একজন হলেন ভরত কুমার। 23 বছর বয়সী এই তরুণ ছত্তীসগড়ের ছোট শহর চারৌদার বাসিন্দা। তাঁর জীবন সংগ্রামের কাহিনি যেন এক স্বপ্ন।

ভরতের বাবা ব্যাঙ্কের নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতেন। আর মা চায়ের দোকান চালাতেন। ছোট থেকেই মেধাবী ছিলেন ভরত। পড়াশোনার মাঝে মাঝে মায়ের সঙ্গে চায়ের দোকানে কাজ করতেন।

চারৌদা শহরের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করেন ভরত। নবম শ্রেণিতে পড়াকালীন স্কুলের ফি দিতে পারেননি ভরতের পরিবার। কিন্তু মেধাবী ছাত্রের বেতন মকুব করে দেয় কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়। এরপর দ্বাদশ শ্রেণিতে অসাধরাণ ফল করে আইআইটি ধানবাদে পড়তে যান ভরত।

উচ্চশিক্ষাতেও আর্থিক সমস্যা পিছু ছাড়েনি ভরতের। সেই সময়ে তাঁর মেধার খবর পৌঁছয় রায়পুরের এক ধনী ব্যবসায়ীর কাছে। অরুণ বাগ নামের সেই ব্যবসায়ী এবং তাঁর সুপারিশে জিন্দাল গ্রুপ ভরতের পড়াশোনায় সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। আইআইটি ধানবাদ থেকে 98% নম্বর সহ ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন। পান সোনার পদকও। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের 7ম সেমিস্টারের সময়ে ক্যাম্পাসিংয়ে ইসরোর নজরে আসে ভরত।

পরতে পরতে থাকা বাধা কাটিয়ে ভরত মাত্র 23 বছর বয়সে সুযোগ পান চন্দ্রযান-3-এর তাবড় বিজ্ঞানীদের টিমে যোগদান করার।

ভরতের এই সাফল্য শুধু তাঁর পরিবারকেই নয়, গর্বিত করেছে গোটা তরুণ প্রজন্ম তথা গোটা দেশকে।

Back to top button