লাইফস্টাইল

পুষ্টিগুণে ভরপুর কুমড়ার বীজ রোজ রাখুন পাতে, পাবেন যত উপকার

আমরা সাধারণত খাদ্য প্রেমিক মানুষ। খাবারের নতুন নতুন সব রেসিপি আমাদের বেশি আকর্ষণ করে। অনেক খাবার আছে আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আবার অনেক খাবার আছে যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। কুমড়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। তবে কুমড়োর বীজ খাওয়া যায় এবং স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী আমরা কখনো তা ভেবে দেখেনি। কুমড়ার বীজ যে শুধু স্বাস্থ্যের জন্য ভালো তা নয় এর স্বাদও অতুলনীয়। আমরা অবসর সময়ে স্ন্যাকস, তেলেভাজা, ঝালমুড়ি খেতে কার না ইচ্ছে হয়। প্রত্যেকেই স্ন্যাকস জাতীয় খাবারের ভক্ত। তবে এবার স্বাদ ও স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য বেছে নিতে পারেন কুমড়োর বীজ। স্ন্যাকস জাতীয় খাবার আর যাই হোক, পুষ্টিগুণ অবশ্য একদমই নেই। কুমড়োর বীজ কিন্তু পুষ্টিগুণে ভরপুর।

কুমড়ার বীজ দৈনিক খাদ্য তালিকায় কেন রাখতে হবে জেনে নিন –

ওমেগা থ্রি তে ভরপুর। শরীরের অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি এসিডের চাহিদা পূরণ করে ওমেগা থ্রি। আর ওমেগা থ্রির কুমড়োর বীজে দারুণ পরিমাণে থাকে। ওমেগা থ্রি স্থূলতা কমায়, হৃদযন্ত্রের পক্ষে উপকারী এবং শরীরের কোষের গঠনে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখুন কুমড়ার দানা।

১০০ গ্রাম কুমড়ার বীজ থেকে ৫০-৬০০ ক্যালোরি পাওয়া যায়। অর্থাৎ শর্করার বিকল্প বস্তু হিসেবে কুমড়া বীজের জুড়ি মেলা ভার। প্রতিদিনের শর্করার ৭০ শতাংশই কুমড়ার বীজ দিয়ে পরিপূরণ করা সম্ভব।

শরীরে দুই ধরণের কোলেস্টেরল থাকে- ভালো (উচ্চ ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন) ও খারাপ (নিম্ন ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন)। কুমড়ার বীজে যে ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, তা রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল বাড়ায়। কুমড়া বীজের ম্যাগনেসিয়াম রক্তের গুনাগুণ বাড়ায়।
কুমড়ার বীজে পিউফা এবং লাইপোফিলিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এর উপাদানের থাকে। শরীরের ফ্রি রেডিকালস বর্জ্য পদার্থ অপসারণের জন্য এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ফ্রি রেডিকেলস কোষের আন্তঃপর্দা, প্রোটিনের ইলেকট্রন চুরি করে নেয় অক্সিডেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। সব মিলিয়ে দিনে পরিমাণ মত কুমড়ার বীজ রাখুন খাদ্যতালিকায়। তারপর সুস্বাস্থ্য একদম হাতের মুঠোয়।

Back to top button