বাংলার পুলিশকে নিয়ন্ত্রণ করে তৃণমূল, দাবি করলেন বিরোধী নেতারা

রামপুরহাট গণহত্যায় মূল অভিযুক্ত আনারুল শেখের গ্রেফতারি মানুষের চোখে ধুলো দেওয়ার চেষ্টা মাত্র। বৃহস্পতিবার দুপুরে তারাপীঠ থেকে আনারুলের গ্রেফতারির পর একযোগে এমনই দাবি করল পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলগুলি। সঙ্গে তাঁদের দাবি, এই ঘটনায় প্রমাণিত হল রাজ্যের পুলিশকে চালায় শাসকদলের নেতারা।
এদিন নয়া দিল্লিতে সংসদভবনের সামনে দাঁড়িয়ে বিজেপির সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেবেন তার পর পুলিশ গ্রেফতার করবে? পুলিশ এত অকম্মা হয়ে গেছে? মুখ্যমন্ত্রী বললে তবে গ্রামে পুলিশ পোস্টিং হবে? এত লোক গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে, কেন পুলিশ কিছু করেনি? গ্রামে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সেখানে যেতে কেন ৪ দিন সময় লেগেছে? ২০০ কিলোমিটার পর যেতে ৪ দিন লাগে? অপদার্থতার সব সীমা পার করে ফেলেছে এই সরকার’।
একই সুরে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তিনি বলেন,‘এসপির সামনে বলছেন, পুলিশ যায়নি কারণ আনারুল পুলিশ পাঠায়নি। তার মানে ও মমতার নির্দেশে পুলিশকে নিয়ন্ত্রণ করত। বিভিন্ন ব্লকে এরকম তৃণমূলের নেতারা ঠিক করা রয়েছে যারা গুন্ডাও কন্ট্রোল করে পুলিশও কন্ট্রোল করে। কিন্তু নিজেরাই তো বলেছিলেন এর পিছনে রাজনীতির যোগ নেই। তাহলে আনারুল কি অরাজনৈতিক ব্লক সভাপতি’?
সেলিম বলেন, ‘সঙ্গে এটাও বোঝা গেল, কে গ্রেফতার হবে বা হবে না তা আইন মেনে ঠিক হবে না। ঠিক হবে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে। এখনো পুলিশ FIR নেয়নি’।
প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, ‘ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা। আর কিছু না। ললিপপ ধরাচ্ছে। বাগটুই গ্রামের লোককে দেখাচ্ছে, দেখ আমি এলাম আর ধরিয়ে দিলাম। এতদিন কী করছিল পুলিশ? কথা বলে ওকে ধরিয়েছে। বলেছে, তুই থাক কদিন জেলে। তারপর দেখছি। চাপে পড়েছি। বুঝেছিস তো’?







