নীল ছবি দেখা ভালো নাকি খারাপ, জানলে চোখ খুলে যাবে আপনারও

বিবাহিত দম্পতিরা নীল ছবি দেখলেও স্বামী বা স্ত্রীর কাছ থেকে সাধারণত সে কথা গোপনই রাখেন।তাহলে এখন প্রশ্ন হল, কেন গোপনে রাখেন? সেক্সোলজিস্টরা বলেন, নীল ছবিকে পুরুষ ও মহিলারা ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন। পুরুষদের কাছে নীলছবি একটা নির্দোষ যৌন উত্তেজক ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু মেয়েরা বিষয়টাকে একধরনের বিশ্বাসভঙ্গ বলেই মনে করেন, কারণ এ ক্ষেত্রে সম্পর্ক বহির্ভূত একটা জায়গা থেকে যৌন তৃপ্তির খোঁজ করা হয়। তা হলে পর্নোগ্রাফিক ছবি দেখা কি সত্যিই খারাপ? আসুনতাহলে জেনে নেওয়া যাক, পুরুষ ও মহিলাদের নীল ছবি দেখার ভালো আর খারাপ দিকগুলো।
মেয়েদের ক্ষেত্রে:
ভালো দিক
যৌন চাহিদা প্রকাশ করতে সহায়ক
চিকিৎসকেরা বলেন যে, যে সব মহিলার যৌন কামনার তাগিদ কম, তাঁরা নীলছবি দেখলে নিজেদের কামনার মুক্তি ঘটাতে পারেন। প্রাথমিক লজ্জা বা দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারলে নীলছবি তাঁদের সেক্স ড্রাইভ জোরদার করে, বিছানায় বাড়তি আত্মবিশ্বাসও জোগায়। স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের বাঁধনটাও তাতে মজবুত হয়ে ওঠে।
খারাপ দিক
নিজের শরীর নিয়ে অতিরিক্ত খুঁতখুঁতেভাব
নীলছবির সবচেয়ে বড়ো সমস্যা হল, এখানে যে সব মেয়েদের দেখা যায় তাঁদের শারীরিক গঠন, সৌন্দর্য, সব কিছুই একশো শতাংশেরও বেশি নিখুঁত। তবে বাস্তবে অমন নিখুঁত শরীর বা সৌন্দর্যের অধিকারিণী কেউ নেই বললেই চলে। তাই পরদায় তাঁদের দেখার পর নিজের চেহারাটা নিয়ে হীনম্মন্যতা বোধ তৈরি হতে পারে।
পুরুষদের ক্ষেত্রে:
ভালো দিক স্ট্রেস কমায়
নিয়মিত নীল ছবি দেখলে পুরুষদের মানসিক চাপ কমে, তাঁরা যৌন তৃপ্তি পান। ইজ্যাকুলেশন স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণ কমায় এবং স্বাভাবিকভাবেই মন ফুরফুরে হয়ে ওঠে। কোন বিষয়টা তাঁকে সবচেয়ে বেশি উত্তেজিত করছে, সেটা একজন পুরুষ সবচেয়ে ভালো বুঝতে পারেন নীলছবি দেখলে।
খারাপ দিক
আগ্রাসী মনোভাব
যে সব পুরুষ অতিরিন্কট নীল ছবি দেখেন, তাঁরা মেয়েদের নিচু চোখে দেখতে পারেন, আর এমন আশঙ্কা থেকেই যায়। নীলছবির জগৎটা কিন্তু শেষ পর্যন্ত কল্পনার, বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও যোগ নেই। যে সব পুরুষ সেটা মনে রাখতে পারেন না, সঙ্গিনীর প্রতি আগ্রাসী মনোভাব দেখিয়ে ফেলেন, তাঁদের সমস্যা হতে বাধ্য।







