বিনোদন

‘তোমার আমার পথচলা এই পর্যন্তই’, সিড ও মিঠির বিয়ের কথা জেনে ‘উচ্ছেবাবু’কে চিঠি লিখে বাড়ি ছাড়লো মিঠাই

জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘মিঠাই’। প্রথম দিন থেকেই দর্শকদের বেশ কাছের হয়ে উঠেছে এই ধারাবাহিকটি। জি বাংলার পর্দায় জনপ্রিয় এই সিরিয়ালকে নিয়ে আশাকরি নতুন করে বলার কিছু নেই। গত আড়াই বছর ধরে এই ধারাবাহিকটি সকল দর্শকের মন আনন্দে ভরিয়ে রেখেছে। টিআরপি কমলেও জি বাংলার এই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা কমেনি। একপ্রকার এই ধারাবাহিকের মিঠাই-সিদ্ধার্থ সকল ধারাবাহিক প্রেমিকদের ঘরের সদস্য হয়ে উঠেছে।

‘মিঠাই’য়ের নিয়মিত দর্শকরা দেখেছেন, ধারাবাহিকে সৌমিতৃষার দ্বৈত চরিত্রে দেখানো হচ্ছে। মিঠাইয়ের মৃত্যুর ট্র্যাকের সঙ্গেই এন্ট্রি হয়েছিল মিঠি চরিত্রটির। হুবহু মিঠাই মতো দেখতে সেই মিঠির সঙ্গে বিবাহবন্ধনেও আবদ্ধ হয়েছিল সিদ্ধার্থ। মিঠির হাত ধরে মিঠাইয়ের খুনীদের শাস্তি দেয় সিড। তবে, এরই মাঝে আবার হাজির হয়েছে মিঠাই। বর্তমানে মিঠাইকে ফিরে পেয়েছে সিড। সে যে আসলে মরেনি তা প্রমাণ হয়েছে। অন্যদিকে মিঠাই -সিড সুখে সংসার করতে পারে তার জন্য সিদ্ধার্থকে ডিভোর্সের কাগজপত্র ধরিয়ে দেয় মিঠি।

তবে তারই মাঝে হল গ্যাঁড়াকল। হাসপাতাল থেকে মিঠি ফেরে মনোহরাতে। আর সেখানেই শ্রী মিঠির সঙ্গে কথা বলে ডঃ ব্যানার্জিকে তোমার কেমন লাগে? আর সেই প্রসঙ্গেই উঠে আসে সিড-মিঠির বিয়ের কথা। ওদিকে মিঠি এবং শ্রীয়ের কথা আড়াল থেকে শুনে ফেলে মিঠাই। সিদ্ধার্থ এবং মিঠির বিয়ে হয়ে যাওয়ার ঘটনাটি এতদিন অজানা ছিল মিঠাইয়ের। যথারীতি এসব কথা শুনে মিঠাই কষ্ট পায়। মিঠাই মনে মনে ভাবতে থাকে সে এসেছে বলেই মিঠির সংসার ভেঙেছে।

এরপর মিঠাই একটি চিঠি লিখে বাড়ি থেকে চলে যায়। এদিকে পরদিন সকালে মিঠি মিঠাইকে খুঁজতে এলে দেখতে পায়না। শাক্য ও মিষ্টি তাদের মাকে না পেয়ে উতলা হয়ে ওঠে। আর তারপরই মিঠি টেবিলে একটি চিঠি পায়। যা কিনা মিঠাইয়ের লেখা। বাড়ির সবাই তো রীতিমতো চিন্তায় পড়ে যায় এমন একটি কান্ড ঘটেছে শুনে। তবে কি সত্যি সত্যি বাড়ি থেকে চলে গেল মিঠাই? এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে।

Back to top button